শুক্রবার সংবাদমাধ্যম আনাদোলু নিউজকে এ তথ্য জানান তাইগ্রে কমিউনিকেশন ব্যুরোর প্রধান রিদাই হালেফোম। তিনি জানিয়েছেন, বাস্তবে এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে। কারণ অনাহারে প্রাণ হারানো অনেকের নাম লিপিবদ্ধ করাও হয়নি। পর্যাপ্ত মানবিক সহায়তা না করায় অঞ্চলটিতে এখনো মানুষ অনাহারে মারা যাচ্ছেন।
ডিসেম্বরের শেষ দিকে তাইগ্রের আঞ্চলিক প্রশাসনের অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট গেটাচু রেদা জানান, সেখানকার পরিস্থিতি বিপর্যয়কর। তাইগ্রেতে ১৯৮৪ সালের দুর্ভিক্ষের মতো পরিস্থিতি হয়েছে। যে দুর্ভিক্ষে ইথিওপিয়ায় লাখ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
.png)
তাইগ্রে অঞ্চলে ভয়াবহ যুদ্ধ এবং খরার কারণে এখন এমন বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে অঞ্চলটির ৯১ শতাংশ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েছেন।
গেটাচু রেদা জানিয়েছেন, ইথিওপিয়ার সরকারের সঙ্গে তাইগ্রের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ২০২২ সালের শান্তি চুক্তির পর সাধারণ মানুষ খাদ্য সংকটে পড়েন।
অবস্থা প্রকট আকার ধারণ করায় গত বছরের ডিসেম্বরে তাইগ্রে অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে অন্তবর্তীকালীন আঞ্চলিক সরকার।