তিনি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার বানিউওয়াঙ্গিতে ন্যাশনাল ম্যান্ডেট পার্টির পক্ষে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। কিডনি বিক্রির মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন এরফিন। এরই মধ্যে তার সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে গেছে।
এরফিন সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেছেন, আমি সত্যি বলছি, আমি নিস্ব, আমার সম্পত্তি নেই। প্রচারণা চালতে তহবিল সংগ্রহের একমাত্র উপায় হলো আমার কিডনি বিক্রি করা।
.png)
দুই মাস ধরে নির্বাচনী প্রচারণা চলায় ইন্দোনেশিয়ার নির্বাচনের খরচ এই বছরের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রাজনৈতিক দলগুলো ভোট গননার জন্য কিছু সহায়তা প্রদান করে থাকে।
তবে প্রার্থীদের অবশ্যই বাকি সব কাজের জন্য নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হবে।
এরফিন দেউই সুদান্তো ধারণা করছেন, তার মোট ৫০ হাজার ডলারের প্রয়োজন। এর মধ্যে বেশিরভাগই টিপস দিতে চলে যাবে বলে তিনি জানান। এখনে টিপস বলতে তিনি বুঝিয়েছেন, সম্ভাব্য ভোটারদের সমর্থন ধরে রাখতে কিছু অর্থ প্রদান। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, ভোট কেনা।
ইন্দোনেশিয়ার আইন অনুযায়ী ভোট কেনা বেআইনি। এই কাজের জন্য জরিমানা সর্বোচ্চ ৩ হাজার ডলার এবং তিন বছরের জেল। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ায় এটা এখন সাধারণ ঘটনা।
এরফিন বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে ভোট কিনতে চাই না। কিন্তু এটা আমাদের সমাজে প্রচলিত। একজন প্রার্থী জেতার জন্য প্রতিটি ভোটারের জন্য ৫০ হাজার রুপিয়া থেকে এক লাখ রুপিয়া প্রস্তুত রাখেন।
তিনি বলেছেন, কর্মকর্তারা সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ না করায়, ভোট কেনার ঘটনা ঘটছে। এই স্রোতে চলা ছাড়া তার আর কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরো বলেন, কেউ আইন প্রয়োগ করছে না। ইন্দোনেশিয়ার সাধারণ নির্বাচন তদারকি সংস্থা বাসওয়ালু বধির হয়ে পড়ে আছে। আল-জাজিরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাসওয়ালু এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।