মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ন্যাটো জোটকে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে ক্রেমলিন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ন্যাটো সদস্য ফ্রান্সের হুমকির জবাবে এই পাল্টা হুমকি দিয়েছে রাশিয়া।
.png)
গতকাল সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ প্যারিসে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘রাশিয়ার বিপরীতে লড়াইরত ইউক্রেনে ন্যাটো সৈন্য পাঠানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। রাশিয়া যেন এই যুদ্ধে না জিততে পারে, তা নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন আমরা করব।’
ইউক্রেনকে সহায়তা দেওয়ার জন্য সোমবার ইউরোপীয় নেতাদের একটি বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠক শেষে ম্যাক্রোঁ এমন মন্তব্য করেন।
যদিও তিনি জানান, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঐকমত্য হয়নি...কারণ মিত্ররা কিয়েভে আরও যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহের প্রচেষ্টা বাড়াতে সম্মত হয়েছে।’
ম্যাক্রোঁর এই মন্তব্য সম্পর্কে আজ মঙ্গলবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ন্যাটো দেশগুলো থেকে ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি নতুন উপাদান।’
ন্যাটো সদস্যরা ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য তাদের সৈন্য পাঠালে রাশিয়া-ন্যাটো সংঘর্ষের ঝুঁকি প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করলে পেসকভ বলেন, ‘সেক্ষেত্রে, আমাদের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে নয়, অনিবার্যতা (সরাসরি সংঘর্ষের) সম্পর্কে কথা বলতে হবে।’
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। দুই বছর গড়িয়ে তিন বছরে পা দিলেও এখনো এই যুদ্ধ শেষের কোনো দৃশ্যমান লক্ষণ নেই। এ যুদ্ধ ঘিরে ১৯৬২ সালের কিউবা ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের পর পশ্চিমাদের সঙ্গে সবচেয়ে ভয়াবহ টানাপড়েনে জড়িয়েছে রাশিয়া। এমনকি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি যুদ্ধের ঝুঁকি সম্পর্কে বেশ কয়েকবার সতর্ক করেছেন।