মক্কার আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কাবার দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে। তবে পবিত্র এ মসজিদে আত্মহত্যার চেষ্টা চালানো ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি তারা।
মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে (সাবেক টুইটার) মক্কা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।” তবে তারাও এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বলে জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস।
.png)
২০১৭ সালে সৌদি আরবের এক বাসিন্দা কাবা চত্বরে নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটকে দেন।
২০১৮ সালে পবিত্র কাবা শরীফে তিনটি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐ বছরের জুনে কাবা মসজিদের ছাদ থেকে লাফ দিয়ে এক ফরাসি নাগরিক আত্মহত্যা করেন। এর এক সপ্তাহ পর ঠিক একইভাবে এক বাংলাদেশিও আত্মহত্যা করেন। এরপর আগস্টে এক সৌদির বাসিন্দা মসজিদ থেকে লাফ দিয়ে নিজেকে শেষ করে দেন।
সূত্র: খালিজ টাইমস