এ জাতীয় রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার নতুন কিছু নয় এবং সম্ভবত রুশ বাহিনীর লক্ষ্য হচ্ছে ইউক্রেনের সেনাদের সুরক্ষিত স্থান থেকে সরিয়ে দেয়া এবং যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত লাভ অর্জন করা। এ বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে ওয়াশিংটনে রাশিয়ার দূতাবাস তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি।
শ্বাসরোধকারী পদার্থ হিসেবে ক্লোরোপিক্রিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে দ্য হেইগ-ভিত্তিক সংগঠন অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অব কেমিক্যাল ওয়েপানস (ওপিসিডব্লিউ)। এই সংগঠনটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৯৩ সালের কেমিক্যাল ওয়েপান কনভেনশনের (সিডব্লিউসি) অনুযায়ী বিষয়টি বাস্তবায়ন ও নজরদারির লক্ষ্যে।
.png)
রাসায়নিক অস্ত্রের অন্যতম প্রথম ব্যবহারটি করেছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জার্মান বাহিনী মিত্রবাহিনীর সেনাদের বিরুদ্ধে।
এর আগে, গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়- ইউক্রেনের সেনারা বলেছে রাশিয়া সহিংসতা নিয়ন্ত্রণকারী রাসায়নিক পদার্থের অবৈধ ব্যবহার বাড়িয়ে তুলেছে যখন তারা গত দুই বছরের ও বেশি সময় পরে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে।
ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলছে ক্লোরোপিক্রিন ছাড়াও রাশিয়ার সেনারা সিএস ও সিএন গ্যাস ভর্তি গ্রেনেড ও নিক্ষেপ করছে। তারা বলছে, বিষাক্ত জিনিসের সম্মুখিন হওয়ার জন্য ইউক্রেনের অন্তত ৫০০ জন সেনার চিকিৎসা করা হয়েছে এবং একজন কাঁদানে গ্যাসের বিষাক্ত পদার্থে দম বন্ধ হয়ে মারা যায়।