আফগানিস্তানে প্রবল বৃষ্টিতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে ১ হাজার ৬৩০ জন। এছাড়া ৮ হাজারটিরও বেশি বাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক লোক তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। এ বন্যায় আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য বাঘলানের ৫ জেলা আক্রান্ত হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রৌজাতুল্লাহ নামের একজন নার্স বলেন, আমরা যেসব এলাকার ভ্রমণ করেছি সেখানে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে। তিনি তার দলের সঙ্গে ফুল্লল নামক একটি গ্রাম পরিদর্শনে যান।
.png)
নুর বলেন, বাড়িতে প্রবেশ করে আমি আশাহত হলাম। বাড়িতে কাউকে খুঁজে পেলাম না। এক পর্যায়ে তিনি হাল ছেড়ে দেন। এরপর রাত ১টার দিকে তার মেয়ে সাইদার বাড়িতে যান। পরের দিন সকালে বাড়িতে ফেরার পথে তিনি তার পরিবারের লোকদের মৃহদেহ রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখেন। নুরের জীবদ্দশায় এমন দৃশ্য আর কখনো দেখেননি।
বন্যায় নুরের ২৫ বছর বয়সী মেয়ে সাইদার একটি সন্তান মারা গেছে। তিনি বলেন, ঝড়টি ছিল দানবের মতো, এটি শুরু হওয়ার পর আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।
নুরের গ্রামের অনেক রাস্তা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেগুলো আর ব্যবহার করা যাচ্ছে না। বন্যায় অধিকাংশ পরিবার দুই থেকে তিনজন করে স্বজন হারিয়েছে। তারা এখন সহযোগিতার জন্য অপেক্ষা করছেন।