একটি নিরাপত্তা আপডেটে ইউকেএমটিও জানিয়েছে, ‘সামরিক কর্তৃপক্ষ টিউটরের সর্বশেষ রিপোর্ট করা স্থানে সামুদ্রিক ধ্বংসাবশেষ ও তেল দেখা গেছে।
এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য টিউটরের ব্যবস্থাপকের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা যায়নি।
.png)
ধারণা করা হচ্ছে, এক ক্রু সদস্য হামলার সময় টিউটরের ইঞ্জিন রুমে ছিলেন। তিনি এখন নিখোঁজ রয়েছেন।
ইরান-সমর্থিত হুথিরা নভেম্বর থেকে লোহিত সাগর অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে চলেছে। গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে এই হামলা পরিচালনা করছে তারা।
প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে লোহিত সাগরে ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যের মালিকানাধীন জাহাজে হামলা চালাচ্ছে হুথিরা।
হুথিদের হামলার কারণে লোহিত সাগর দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশ্বে সমুদ্র পথে যত বাণিজ্য হয়, তার ১২ শতাংশ এই লোহিত সাগর দিয়ে হয়। হুথিদের ঠেকাতে গত মাস থেকে ইয়েমেনের বিভিন্ন স্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য।