জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৬তম অধিবেশনে রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।
তুন খিন বলেন, গত মাসে আরাকান আর্মি অধিকৃত এলাকা থেকে দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করা হয়েছে। এছাড়া চলতি বছরের মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত এক হাজার পাঁচশ রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে।
.png)
আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনী উভয় পক্ষই রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। তাই আরাকান আর্মি ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার আহ্বান জানান তুন খিন। অন্যথায় ভবিষতে রোহিঙ্গাদের কোথাও স্থান হবে না বলে মন্তব্য করেন এ রোহিঙ্গা নেতা।
রাখাইন রাজ্যের অধিকাংশ এলাকা বর্তমানে আরাকান আর্মির দখলে উল্লেখ করে তুন খিন বলেন, আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের ভবিষৎ মিয়ানমারের অংশ মনে করে না। তারা নানাভাবে রোহিঙ্গাদের নির্যাতন ও বিদ্রুপ করে আসছে।
তাই মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মিকে জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে হস্তক্ষেপ চান তুন খিন।
এদিকে, কক্সবাজার সীমান্তে বাংলাদেশি মানুষ ও স্থাপনা লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনা জাতিসংঘে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ। ঢাকার পক্ষে জেনেভায় বাংলাদেশে স্থায়ী মিশনের ভারপ্রাপ্ত স্থায়ী প্রতিনিধি সঞ্চিতা হক বলেন, মিয়ানমারের যে কোনো সংঘাত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটি যেন বাংলাদেশের জনগণ ও সম্পদকে প্রভাবিত না করে।