প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে তিনি ‘দায়িত্বপূর্ণ শাসন’ এবং লাইবেরিয়ানদের সাথে ‘সংহতি’ প্রদর্শনের নজির স্থাপনের আশা করছেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট বোকাই প্রকাশ করেছিলেন, তার বার্ষিক বেতন ১৩ হাজার ৪০০ মার্কিন ডলার। তবে বেতন কমানোর সর্বশেষ সিদ্ধান্তের ফলে তার বার্ষিক বেতন এখন ৮ হাজার ডলারে নেমে আসবে। প্রেসিডেন্ট বোকাইয়ের এ সিদ্ধান্তকে কেউ কেউ স্বাগত জানিয়েছেন। তবে, অনেকে মনে করছেন, এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো ত্যাগ কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, দৈনিক ভাতা এবং চিকিৎসা সুবিধা কভারের মতো কিছু সুবিধা এখনো তিনি পাবেন।
.png)
লাইবেরিয়ানরা জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে অভিযোগ করার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কঠোর তদন্তের অধীনে রয়েছে। পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের দৈনিক আয় ২ মার্কিন ডলারেরও কম।
লাইবেরিয়ার অলাভজনক সংস্থা সেন্টার অব ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টিবিলিটির অ্যান্ডারসন ডি মিয়ামেন প্রেসিডেন্টের বেতন হ্রাসের সিদ্ধান্তকে ‘ভালো’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বেতন কমানোর পর সেই অর্থ কোথায় যাবে এবং কীভাবে সেগুলো জনগণের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে ব্যবহার করা হবে, সেটি স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়ার আশা করছি আমরা।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর, বোকাই দুর্নীতি ও আর্থিক অব্যবস্থাপনা মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছেন। তিনি নিজের সম্পদের তথ্য ঘোষণা করেছেন এবং তার অফিসের অডিটের নির্দেশ দিয়েছেন।