যদিও মাসিকভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুনে দেশটির প্রবাসী আয় কমেছে। ২০২৪ সালের মে মাসে দেশটির প্রবাসী আয় ছিল ৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার, যা জুনে কমে দাঁড়ায় ৩ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলারে। তবে বার্ষিকভিত্তিতে র্যামিট্যান্স ৪৪ শতাংশ বেড়েছে।
জাতিসংঘের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে প্রবাসী আয়ের দিক থেকে বিশ্বের মধ্যে পাকিস্তানের অবস্থান পঞ্চম।
.png)
২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি র্যামিট্যান্স পায় ভারত (১২০ বিলিয়ন ডলার)। এক্ষেত্রে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল মেক্সিকো (৬৬ বিলিয়ন ডলার)। ৫০ বিলিয়ন ডলার নিয়ে চীন ছিল তৃতীয় অবস্থানে। ৩৯ বিলিয়ন ডলার নিয়ে ফিলিপাইন ছিল চতুর্থ অবস্থানে।
২০২৪ সালের জুনে সৌদি থেকে সবচেয়ে বেশি র্যামিট্যান্স আসে পাকিস্তানে। তবে তা আগের মাসের তুলনায় ১ শতাংশ কম এবং আগের বছরের একই সমেয়র চেয়ে ৫৭ শতাংশ বেশি।
তাছাড়া আরব আমিরাত থেকে জুনে দেশটির র্যামিট্যান্স কমেছে দুই শতাংশ যদিও বার্ষিকভিত্তিতে বেড়েছে ১০১ শতাংশ।
২০২৪ সালের জুনে যুক্তরাজ্য থেকে পাকিস্তানে র্যামিট্যান্স আসে মোট ৪৮৭ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার, যা মে মাসের ৪৩৭ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে কম।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ পথে অর্থ পাঠানোয় পাকিস্তান সরকারের নানা সুবিধা এবং হুন্ডির মতো অবৈধ পথে অর্থ পাঠানোর বিরুদ্ধে কড়াকড়ি প্রবাসী আয় বাড়ায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে।
দক্ষিণ এশিয়া বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বেশি প্রবাহ পায়। কারণ এ অঞ্চল থেকে যাওয়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক রয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তান বিশ্বের শীর্ষ ১০টি আন্তর্জাতিক রেমিট্যান্স প্রাপকদের মধ্যে রয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ