আল-কায়েদার সাথে যুক্ত হয়ে টিটিপি জালালাবাদ এবং কান্দাহারে সাবেক ক্যাম্প সহ আফগানিস্তান জুড়ে স্বাধীনভাবে অবাধে কাজ করে এবং পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়।
সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি সম্পর্কে তালেবান অস্বীকার করলেও, জাতিসংঘ তালেবানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।
.png)
জাতিসংঘের বিশ্লেষণাত্মক সমর্থন ও নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের ২৮তম প্রতিবেদনে চীনের সাথে আফগানিস্তানের সীমান্তের কাছাকাছি বেইজিং বিরোধী শত শত মুসলিম সশস্ত্র সদস্যের উপস্থিতিও নিশ্চিত করা হয়েছে। এই সপ্তাহে ইউএনসিতে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকরা লক্ষ্য করেছে, ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাস সত্ত্বেও টিটিপি এবং তালেবানরা মূলত আগের মতো সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম ডনের তথ্যানুযায়ী, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার যেনো পাকিস্তানে কোনো ধরণের সন্ত্রাসী হামলা না হয় সেজন্য গত দুই বছর ধরে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে তালেবান সরকারের কাছে ক্রমাগতভাবে দাবি জানানো হচ্ছিলো। পাকিস্তানি সশস্ত্র গ্রুপ তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) আফগানিস্তানের ক্ষমতাসীন তালেবানের বন্ধুপ্রতিম সংগঠন। কাবুলে তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশটি টিটিপির নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকে সীমান্ত পার হয়ে মাঝেমধ্যেই পাকিস্তানের সামরিক এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় তারা।
ইসলামাবাদ চায়, আফগান তালেবান যেনো টিটিপির লাগাম টানে। কিন্তু এই দাবির প্রতি আফগান তালেবানের যে শীতল প্রতিক্রিয়া তা ঘুরে ফিরে টিটিপিকে উৎসাহিতই করেছে।
টিটিপি পাকিস্তানে নিষিদ্ধ। তাদের মূল টার্গেট দেশটির উত্তর-পশ্চিমে আফগান সীমান্তবর্তী এলাকা।
গত কয়েক বছর ধরেই আফগান তালেবান এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়েছে এবং টিটিপি নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন।
সূত্র: আফগানিস্তান টাইমস