বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বড় আমদানিকারক দেশ চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা কমে গেছে। সম্প্রতি দেশটিতে তেলের চাহিদা কমে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে এর দামে উপর প্রভাব পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তথ্য বলছে, আগামী সেপ্টেম্বরের জন্য ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৯ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমিয়ে ধরা হয়েছে ৮১ ডলার ১২ সেন্ট। এ ছাড়া, ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬১ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমিয়ে ৭৬ ডলার ৯৮ সেন্ট ধরা হয়েছে।
.png)
যুক্তরাষ্ট্রের এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন আরো জানিয়েছে, গত সপ্তাহে দেশটিতে ৩৭ লাখ ব্যারেল কম অপরিশোধিত তেল উত্তোলন করা হয়েছে। দেশটিতে গ্যাসোলিনের মজুত ৫৬ লাখ ব্যারেল কমেছে। ডিসটিলেটের মজুত কমেছে ২৮ লাখ ব্যারেল।
বৃহস্পতি ও শুক্রবার তেলের দাম সামান্য বাড়ার কারণ হলো দ্বিতীয় প্রান্তিকে মার্কিন অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে ভালো অবস্থানে থাকা। যদিও গত তিন সপ্তাহে উভয় বেঞ্চমার্কের দাম কমেছে ৫ শতাংশ। এই সপ্তাহে ব্রেন্ট সামান্য কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এক্ষেত্রে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টার মিডিয়েটের দাম কমেছে দুই শতাংশের বেশি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চীনে জুন মাসে চাহিদা কমেছে ৮ দশমিক ১ শতাংশ, যা দৈনিক হিসাবে ১৩ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ব্যারেল। বিশ্লেকরা জানিয়েছেন, পেট্রোল ও ডিজেলের কারণেই মূলত চীনে চাহিদা কমেছে। কারণ দেশটিতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বেড়েছে।
তাছাড়া গাজাযুদ্ধ শেষ হওয়ারও একটা আশা জেগেছে। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রে জোর আলোচনা চলছে। যুদ্ধবিরতি চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। এতে করে জ্বালানির উত্তোলন বেড়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।