গাজায় নতুন করে এই মহামারিকে বিশ্বজুড়ে পোলিও নির্মূল কর্মসূচির ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে অভিহিত করেছে হামাস চালিত এই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে খাবার পানি ও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির অভাব, ক্ষতিগ্রস্ত পয়ঃনিষ্কাশন নেটওয়ার্ক ও টনকে টন ময়লা অপসারণের জন্য ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে গাজায় কম্পোনেন্ট পোলিওভাইরাস টাইপ ২ শনাক্তের কথা জানায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এই কাজে তারা জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের সঙ্গে সমন্বয় করেছে। এই ভাইরাসটি নর্দমায় পাওয়া গেছে, যা বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেয়া তাঁবুর মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হয় এবং এদের মধ্য দিয়েই প্রবাহিত হয়।
.png)
গত শুক্রবার পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর গাজায় ১০ লাখের বেশি পোলিও টিকা পাঠানোর ঘোষণা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শিশুদের এই ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সামনের দিনে এসব টিকা তাদের দেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।
মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।