ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

‌‘তিনি কৃষ্ণাঙ্গ নাকি ভারতীয়’ কমলা হ্যারিসকে নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:১২, ১ আগস্ট ২০২৪
‌‘তিনি কৃষ্ণাঙ্গ নাকি ভারতীয়’ কমলা হ্যারিসকে নিয়ে ট্রাম্পের প্রশ্ন
ছবি: সংগৃহীত

কমলা হ্যারিসের জাতিগত পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গ সাংবাদিকদের এক সমাবেশে যোগ দিয়ে ট্রাম্প জানতে চান, কমলা আসলে কৃষ্ণাঙ্গ নাকি ভারতীয়?

ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট এবং ডেমোক্র্যাটিক মনোনীত প্রার্থী কমলা তার এশিয়ান-আমেরিকান পরিচয় লুকাতে চান। তিনি দাবি করেছেন, কমলা এখন কৃষ্ণাঙ্গ হয়েই থাকতে পছন্দ করেন।

শিকাগোতে ন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্ল্যাক জার্নালিস্টস কনভেনশনে তিনি বলেন, আমি জানি না, কয়েক বছর আগেও তিনি কৃষ্ণাঙ্গ ছিলেন কি না। কিন্তু তিনি এখন হঠাৎ করে কৃষ্ণাঙ্গে পরিণত হয়েছেন এবং কৃষ্ণাঙ্গ হিসেবে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন। তো আমি আসলে জানি না, তিনি আসলে কি ভারতীয়? না কি কৃষ্ণাঙ্গ?

Advertisement

ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কমলা হ্যারিস বলেছেন, ট্রাম্পের মন্তব্য পুরোনো মানসিকতার বিভক্তি এবং অসম্মানের বহিঃপ্রকাশ। হিউস্টনে কৃষ্ণাঙ্গ সমাজের সিগমা গামা রো—এর এক সভায় কমলা হ্যারিস বলেন, মার্কিন জনগণ আরো ভালো কাউকে (প্রেসিডেন্ট হিসেবে) পাওয়ার যোগ্য। আমরা মার্কিনিরা এমন একজন নেতার যোগ্য যিনি বুঝতে পারেন যে আমাদের মধ্যকার বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য আমাদের বিভক্ত করে না। এই বৈচিত্র্যই আমাদের শক্তির একটি অপরিহার্য উৎস।

কমলা হ্যারিস হলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ও এশীয়-আমেরিকান ভাইস-প্রেসিডেন্ট। তার বাবা-মা ভারতীয় ও জ্যামাকাইন বংশোদ্ভূত। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করেছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ঐতিহাসিকভাবে কৃষ্ণাঙ্গদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যুষিত নারী সংগঠন আলফা কাপা আলফায় যোগদান করেন। ২০১৭ সালে কমলা হ্যারিস মার্কিন কংগ্রেসের সিনেটর হন এবং কংগ্রেসনাল ব্ল্যাক ককাসের সদস্য হন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!