ফাদাভি বলেন, ইসমাইল হানিয়ার রক্তের প্রতিশোধ ও ইসরায়েলকে কঠিন শাস্তি দেওয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ স্পষ্ট। এসব নির্দেশ যতটা সম্ভব ভালোভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
এদিকে ইসরায়েলে ইরানের সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জন কারবি বলেন, ইসরায়েলকে প্রচুর পরিমাণে অস্ত্র ও সম্পদ দিয়ে রক্ষা করতে আমরা সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুত। এই ধরনের কোনো হুমকি আসলে সেটাকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নেই।
.png)
গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিমানসহ অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমাতে আহ্বান অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো। গত বৃহস্পতিবার এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েল ও হামাসকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা আবার শুরু করতে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও মিসর।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরান গিয়েছিলেন হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়া। সেখানে নিজ বাসভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হন তিনি ও তার দেহরক্ষী। এখন পর্যন্ত এ হামলার দায় কেউ স্বীকার না করলেও ইরান ও হামাসের দাবি, ইসরায়েল এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তাই ইরান এ হত্যার প্রতিশোধ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।