ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

অভিবাসী, শরণার্থী এবং বাস্তুচ্যুতদের কি এমপক্সের ঝুঁকি বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৪৬, ২৫ আগস্ট ২০২৪
অভিবাসী, শরণার্থী এবং বাস্তুচ্যুতদের কি এমপক্সের ঝুঁকি বেশি
ছবি: সংগৃহীত

অভিবাসনকেন্দ্রগুলোতে এমপক্স সংক্রমণ প্রতিরোধের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম। আফ্রিকার পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলে এই রোগে শিকারদের সহায়তায় ১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার চেয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাটি।

এমপক্স নিয়ে বিশ্বব্যাপী জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণার পর আইওএম জানিয়েছে, যে অভিবাসী সম্প্রদায় - যাদের সংঘাতসহ নানা কারণে স্থানান্তরিত হতে হচ্ছে, তারা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন।

আইওএম’র মহাপরিচালক এমি পোপ বলেন, পূর্ব আফ্রিকা, হর্ন অব আফ্রিকা ও দক্ষিণ আফ্রিকায় এমপক্সের সংক্রমণ উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে অভিবাসনপ্রত্যাশী, শরণার্থী, ভ্রাম্যমান জনগোষ্ঠী বা বাস্তুচ্যুত মানুষেরা এ ধরনের সংকটের সময় উপক্ষিত থাকে।

Advertisement

আইওএম জানিয়েছে, অপর্যাপ্ত জীবনমান এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিকূলতা বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতিতে অভিবাসীদের সংকট বাড়িয়ে তোলে। তাই এমপক্সের সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে আইওএম।

এমপক্স একটি ভাইরাসজনিত রোগ। সর্বপ্রথম রোগটি বানরের দেহে শনাক্ত হয় বলে একে মাঙ্কিপক্স বলা হতো। পরবর্তীতে এমপক্স নামকরণ হয়। তবে শুধু বানর নয়, ইঁদুরের দ্বারাও এমপক্স ছড়ায়। 

এমপক্সের লক্ষণ সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, মাথাব্যথা, পিঠে ব্যথা, মাংসপেশিতে টান দেখা দিতে পারে। এমপক্সে আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বরের পাশাপাশি শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুরুতে মুখে ফুসকুড়ি ওঠে। পরে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে হাতের তালু ও পায়ের তলায়। ফুসকুড়িগুলো অত্যন্ত চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে। পরবর্তীতে পুঁজ ও ক্ষত সৃষ্টি হয়।

এর সংক্রমণের ধরনের সঙ্গে স্মলপক্সের মিল আছে। তবে এমপক্সের সংক্রমণ সাধারণত মৃদু হয়। বেশির ভাগ মানুষ দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। প্রভাব সামান্য দেখা গেলেও অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

ডাব্লিউএইচওর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ডিআরসিতে ১৫ হাজারের মতো এমপক্স সংক্রমণের কথা জানা গেছে এবং এতে মৃত্যু হয়েছে ৫৩৭ জনের। বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসে এখন অবধি এক লাখের বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন।

সূত্র: ইনফোমাইগ্রেন্টস বাংলা

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!