বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) তিনি এই সফর করবেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
২০১২ সালের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রথম কায়রো সফরে যান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। এরপরই সিসি তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন। এতে দুই দেশের মধ্যে আটকে থাকা সম্পর্ক পুনরায় চালু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
.png)
মঙ্গলবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের যোগাযোগ অফিস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তুরস্ক-মিশর সম্পর্কের সব দিক পর্যালোচনা করা হবে ও সহযোগিতা আরো বিকাশের জন্য সম্ভাব্য যৌথ পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
এতে আরো বলা হয়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পাশাপাশি বর্তমান আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যু, বিশেষ করে গাজা ও অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা নিয়ে মতবিনিময় হবে।
২০১৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের মুরসিকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন তখনকার সেনাপ্রধান আল-সিসি। এরপরই দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়। কারণ মুরসি ছিলেন তুরস্কের ঘনিষ্ঠ মিত্র। ২০১২ সালে মুরসি প্রেসিডেন্ট হিসেবে তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন।
দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা ভালো হতে থাকে ২০২০ সালে আঙ্কারার কূটনৈতিক পদক্ষেপের পর। মূলত সে সময় আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও মিশরের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেয় তুরস্ক।