ওহাইও’র স্প্রিংফিল্ড শহরের বাসিন্দা, ৩৮ বছর বয়সী ভাইলস ডোরসাইনভিল বলেছেন, ‘আমাদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে। এখানকার অভিবাসীদের কমিউনিটি সেন্টারে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আতঙ্কে আমার এক বন্ধু চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।’
নির্বাচনী বিতর্কে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে ট্রাম্প দাবি করেন যে, হাইতির অভিবাসীরা স্থানীয়দের পোষা প্রাণী ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলছে। তিনি বলেছেন, ‘তারা কুকুরগুলোকে খেয়ে ফেলছে, যারা বাইরে থেকে এসেছে। বিড়ালগুলোও খাচ্ছে।
.png)
তার এই অদ্ভুত দাবির কোনো প্রমাণ নেই। কিন্তু স্প্রিংফিল্ডের অভিবাসীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ঠিকই বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডোরসাইনভিল আরো বলেছেন, স্থানীয়রা আমাদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলছে। তার (ট্রাম্প) মন্তব্যের কারণে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।
ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটা ভিত্তিই হচ্ছে অভিবাসীদের নিয়ে ভুলভাল তথ্য ছড়িয়ে জনপ্রিয়তা বাড়ানো। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার রানিং মেট, ওহাইও’র সিনেটর জে ডি ভ্যান্স স্প্রিংফিল্ডের অভিবাসীদের নিয়ে প্রায় একই ধরণের মিথ্যা দাবি তুলেছিলেন।