ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহর আর্থিক বিভাগের প্রধান নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:২৯, ২২ অক্টোবর ২০২৪
ইসরায়েলি হামলায় হিজবুল্লাহর আর্থিক বিভাগের প্রধান নিহত
বিধ্বস্ত গাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে আছেন রেড ক্রিসেন্ট কর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় লেবাননভিত্তিক ইসলামি সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর আর্থিক বিভাগের প্রধান নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) বিবৃতির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এএফপি।

সোমবার ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, হিজবুল্লাহর অর্থবিষয়ক সর্বশেষ কমান্ডারকে সিরিয়ায় ‘নির্মূল’ করা হয়েছে। তবে হিজবুল্লাহর এই কমান্ডারের নাম প্রকাশ করেনি ইসরায়েল।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি এক বিবৃতিতে বলেন, এই ব্যক্তি ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর ‘ইউনিট ৪৪০০ ’-এর প্রধান ছিলেন। ইরানের তেল বিক্রির মাধ্যমে সংগঠনে অর্থ স্থানান্তরসহ হিজবুল্লাহর তহবিল জোগানোর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

Advertisement

এদিকে পৃথক এক বিবৃতিতে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার রাজধানী দামেস্কে একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে বোমা ফেলেছে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। এতে গাড়িটিতে থাকা চালক এবং একজন যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছন। তবে নিহতের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেনি সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও।

ইরানের সমর্থন ও মদতপুষ্ট হিজবুল্লাহ বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী। লেবাননভিত্তিক এই গোষ্ঠীটি ইরানের প্রত্যক্ষ মদতে ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই এই গোষ্ঠীটি ইসরায়েল রাষ্ট্রকে ধ্বংসের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তের অপর পাশেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল। এ অঞ্চলটি হিজবুল্লাহর প্রধান ঘাঁটি এবং গোষ্ঠীটির অধিকাংশ সামরিক স্থাপনার অবস্থান এখানে। তবে ফিলিস্তিন, সিরিয়া, জর্ডান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশেও হিজবুল্লাহর শাখা রয়েছে। বস্তুত, সামরিক স্থাপনা, যোদ্ধার সংখ্যা এবং মজুতকৃত অস্ত্রের পরিমাণের হিসেবে বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

গত ৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর হামাসের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া শুরু করে হিজবুল্লাহ। পাল্টা জবাব দেওয়া শুরু করে ইসরায়েলও। গত এক বছরে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে লেবাননে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজারেরও বেশি মানুষ। এই নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা ৫ শতাধিক। তবে আইডিএফের দাবি, এই নিহতদের মধ্যে অন্তত ৯৪০ জন হিজবুল্লাহ কমান্ডার ও যোদ্ধা রয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!