বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, দেশটির রাজধানী তেহরান ও কারাজ শহরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এখনও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, বিশ্বের অন্য যেকোনো সার্বভৌম দেশের মতো ইসরায়েলি রাষ্ট্রেরও জবাব দেওয়ার অধিকার ও কর্তব্য রয়েছে।
.png)
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, তেহরান ঘিরে বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে কীভাবে এসব বিস্ফোরণ হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজধানীর কাছেই কারাজ শহরেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
আইডিএফের মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলছেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইরান সরকার এবং এই অঞ্চলে তার মিত্ররা ক্রমাগত ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়ে আসছে। আমাদের রক্ষণাত্মক ও আক্রমণাত্মক সামর্থ্য পুরোপুরি সক্রিয়। ইসরায়েল জাতি ও ইসরায়েলের জনগণকে রক্ষার জন্য যা করা দরকার আমরা তাই করব।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেছেন, বিকট বিস্ফোরণের শব্দ ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার কারণে হয়ে থাকতে পারে। তবে ইরানের কী ধরনের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
বার্তা সংস্থা এএফপি ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরানের দুটি বিমানবন্দরে স্বাভাবিক কাজ চলছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে তারা এ হামলার বিষয়ে অবগত।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিবিসির সিবিএস নিউজ পার্টনারকে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আমরা জানতে পারছি যে ইসরায়েল ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে, যা ১ অক্টোবর ইসরায়েলে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে একটি আত্মরক্ষার পদক্ষেপ।