শনিবার দ্য জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সিরিয়ায় রাডার লক্ষ্যবস্তুতে ইসরায়েলের প্রাথমিক হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সক্ষমতাকে ‘অন্ধ’ করে দেওয়া এবং এর পরপরই ইরানের রাজধানী তেহরান ও পাশের কারাজ শহরে ‘সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা করা।
আইডিএফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরানের পারমাণবিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা এড়িয়ে গেছে। কেননা এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা হামলা চালাতে পারে।
.png)
প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার দূরত্বে ইরানের সামরিক লক্ষবস্তুতে এই হামলায় এফ-৩৫ 'আদির' স্টিলথ ফাইটারসহ শতাধিক যুদ্ধবিমানকে কাজে লাগানো হয়েছে বলে দাবি করেছে আইডিএফ।
তবে ইসরায়েলের হামলার বিষয়ে ইরানি কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে এরমধ্যে বেশিরভাগই ড্রোন হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র বা বিমান হামলা নয়।’ তারা আরো বলেন, প্রশ্ন হচ্ছে এগুলো কোথা থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে— ইসরায়েল নাকি অন্য কোথাও থেকে? কারণ, সাধারণত এই মানের ড্রোনের রেঞ্জ দীর্ঘ হয় না।
ইরান দাবি করেছে, ইসরায়েলের হামলা তারা প্রতিহত করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরায়েলের ড্রোনগুলো আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে।