বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর।
দক্ষিণ লেবাননের সামরিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে হানা উল্লেখ করেছেন, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর গৃহীত কৌশলই তাদের জানানো তথ্য ও লেবানিজ হিজবুল্লাহর দাবি করা পরিসংখ্যানের মধ্যে বৈষম্যের মূল কারণ।
.png)
তিনি আরো জানান, দক্ষিণ লেবাননে অনেক ইসরায়েলি বিশেষ বাহিনী ও পদাতিক অনেক সেনা নিহত হয়েছেন।
এটি ইঙ্গিত দেয়, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সাঁজোয়া ইউনিট পাঠানোর আগে প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দা অভিযান চালিয়ে থাকে।
এর আগে বুধবার ইসরায়েলি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছিল, দক্ষিণ লেবাননের একটি গ্রামে ভবন ধসে সাতজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।
হানা জোর দিয়ে বলেন, ভূ-প্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারণে যুদ্ধকৌশলে পরিবর্তন আনতে হয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বর্তমানে ইসরায়েলের ৩৬তম ডিভিশন লেবাননের দ্বিতীয় স্তরের গ্রামগুলোতে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
এ ছাড়া হানা উল্লেখ করেন, আইতারুন, বিনতে জবেইল ও আইনাতা এলাকাগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, যদি দখলদার বাহিনী সফলভাবে এই এলাকাগুলোতে পৌঁছতে পারে, তবে এটি দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক অভিযানের দ্বিতীয় ধাপের সূচনার ইঙ্গিত দেবে, যদিও এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ স্থাপন নিশ্চিত হবে না।