সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সবচেয়ে ভয়ংকর হামলা হয়েছে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে। সবশেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৩ জন। যাদের বেশিরভাই শিশু ও নারী। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে শঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ৩০ জন নিহত এবং আরো ৯৯ জন আহত হয়েছেন। এতে করে গত ১৪ মাস ধরে চলা এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে ৪৪ হাজার ৮৩৫ জন। আহত হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজারের বেশি মানুষ। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
.png)
হামলা অব্যাহত খান ইউনিস, দেইর আল বালাসহ অন্যান্য এলাকায়ও। নতুন করে আবার আরো দুটি এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকে গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থীশিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েলি আগ্রাসনে ২০ লাখের বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। ইসরায়েলি নির্বিচার হামলা গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের তথ্য মতে, ইসরায়েলের আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজাবাসী চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।