ইসরায়েলের হাতে নিহত হিজবুল্লাহ ও হামাসের নেতাদের স্মরণ করে খামেনি বলেন, সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং (ইয়াহিয়া) সিনওয়ারের চেতনা এখনো বেঁচে আছে। তাদের দেহ চলে গেছে, কিন্তু বিশ্বাস ও আদর্শ রয়ে গেছে। এই আদর্শ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহর আত্মা জীবিত, সিনওয়ারের আত্মা জীবিত। শহীদেরা কখনো মরে না। এ সময় তেহরানে সমবেত জনতা ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ এবং ‘ইসরায়েলে নিপাত যাক’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।
.png)
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, ইসরায়েলিরা গাজায় প্রতিদিন হামলা চালিয়ে নিরিহ মানুষকে হত্যা করছে। কিন্তু ফিলিস্তিনিরা এখনো মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছেন। এখনো সর্বশক্তি দিয়ে সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ করে যাচ্ছেন। লেবানন প্রতিরোধ করছে।
খামেনি বলেন, ইহুদি শাসকরা মনে করছে, তারা সিরিয়ার মাধ্যমে হিজবুল্লাহকে ঘিরে ফেলবে এবং নিশ্চিহ্ন করবে। কিন্তু তাদের সে স্বপ্নপূরণ হবে না। হিজবুল্লাহ নয়, ইসরায়েলই নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, সিরিয়ার বিদ্রোহীদের অব্যাহত অভিযানের মুখে গত ৮ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে পালিয়ে যান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল–আসাদ। এরপর তিনি রাশিয়ায় আশ্রয় নেন। এর মাধ্যমে সিরিয়ার চলা দীর্ঘ ১৩ বছরের গৃহযুদ্ধের অবসান হয় এবং বাশার আল–আসাদের ২৪ বছরের স্বৈরশাসনের পতন হয়। আসাদ পরিবারের দীর্ঘদিনের মিত্র ইরান ও রাশিয়া। সিরিয়ায় আসাদের পতনকে মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।