দেশটির বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানায়, এরই মধ্যে দু’জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তারা বিধ্বস্ত বিমানটির পেছনের অংশে ছিলেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বাদে আর কারও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
.png)
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে ১৭৫ জন যাত্রী ও ছয়জন ক্রু নিয়ে আসা বিমানটি রোববার স্থানীয় সময় সকাল ৯টার পরপর দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় রানওয়েতে বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১২৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরটি দক্ষিণ কোরিয়ার মুয়ান প্রদেশে অবস্থিত। এটা রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ২৮৮ কিলোমিটার বা ১৭৯ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে। অগ্নিনির্বাপক বাহিনীর ৩২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে ইয়োনহাপ জানিয়েছে, পাখির সঙ্গে ধাক্কা লাগার ফলে ল্যান্ডিং গিয়ারে জটিলতার কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করা হচ্ছে।