তিনি জানান, হাসপাতালের চিকিৎসকরা এখন তার অন্য সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো তাঁবু বা আশ্রয়কেন্দ্র নেই। যারা এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী তাদের সবার বিচার করুক আল্লাহ। এই হলো আমার সন্তান জুমা। তার কী দোষ ছিল? কেন তাকে ঠাণ্ডায় জমে মরতে হলো?’
.png)
দীর্ঘ প্রায় ১৫ মাস ধরে দখলদার ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ চলছে। গাজার এমন কোনো ভবন নেই যেখানে ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালায়নি। এতে উপত্যকাটির ৯০ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছেন। তাদের বেশিরভাগই অস্থায়ী জায়গায় থাকছেন। অনেকে আবার থাকছেন খোলা স্থানে। শীতকাল আসার পর সেখানকার মানুষ আরো কষ্টে পড়েছেন। দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে শীতের প্রয়োজনীয় উপকরণও যেতে দিচ্ছে না। এতে করে ঠাণ্ডায় জমে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এ নিয়ে সতর্ক করলেও ইসরায়েল তা আমলে নিচ্ছে না।
সূত্র: আল-জাজিরা