দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছেন, তদন্ত শেষে জেজু এয়ারলাইনের ব্লাক বক্স দুটির মধ্যে একটির তথ্য পাওয়া গেছে। প্রথম ব্লাক বক্স থেকে ককপিট ভয়েস রেকর্ডার সহযোগে ডেটা এখন একটি অডিও ফাইলে রূপান্তরিত হবে। যদিও কর্তৃপক্ষ বলেছে যে দ্বিতীয় ব্ল্যাক বক্সে ডেটা অ্যাক্সেস করতে আরো সময় লাগবে।
তদন্তকারীরা আশাবাদী যে ব্লাক বক্স থেকে পাওয়া রেকর্ডারগুলোর ডেটা এই দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করবে।
.png)
ব্ল্যাক বক্স দুটি হলো ককপিট ভয়েস রেকর্ডার এবং ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার। তবে ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী অংশ অনুপস্থিত, যা থেকে উচ্চতা, গতিবেগ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এটি তথ্য বিশ্লেষণ প্রক্রিয়াকে আরো জটিল করে তুলবে।
তদন্তকারীরা ধ্বংসাবশেষ ঘেঁটে বিভিন্ন সূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন, তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো অজানা রয়ে গেছে। তবে দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবার জেজু এয়ারের বিরুদ্ধে সময়মতো তথ্য না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, তদন্তকারীরা পাখির আঘাতের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এ কারণে কোনো নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিকল হয়ে গিয়েছিল কি না তা-ও আমলে নেয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক প্রশ্ন রয়েছে এখানে। যেমন- কেন দুই ইঞ্জিনের বিমানটি এত দ্রুত গতিতে চলছিল, কেন রানওয়েতে নামার সময় বিমানটির ল্যান্ডিং গিয়ার দেখা যায়নি ইত্যাদি।
গত সোমবার দক্ষিণ কোরিয়ার পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়সূচি মেনে পাইলটরা বিমানটিকে অবতরণ করানোর সময় পাখি আঘাত হানে। কন্ট্রোল টাওয়ার থেকেও তাদের পাখির ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছিল। পরে বিমানটি মে ডে অ্যালার্ট জারি করে আবার অবতরণের অনুরোধ জানায় এবং ল্যান্ডিং গিয়ার ছাড়াই রানওয়েতে নেমে এসে শেষ প্রান্তের দেয়ালে গিয়ে ধাক্কা খায়। বিমানটি দেয়ালে ধাক্কা দেওয়ার আগেই তাতে আগুন দেখা গিয়েছিল।