প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর থেকে কোনো বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ ভূপাতিত হয়নি। তবে বিভিন্ন বিমানবন্দরে পার্ক করা বেশ কয়েকটি বিমান হামলা বা প্রতিহত করা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাকা এমিরেটস এ৩৮০ ও সৌদিয়া এ৩২১ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া গত সপ্তাহে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর-এ ক্ষেপণাস্ত্রের শার্পনেলের আঘাতে তিনটি ব্যক্তিগত বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
.png)
দুবাইয়ের প্রধান এই বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলো অঞ্চলটির বড় বড় বিমান চলাচল কেন্দ্রগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানকে সামনে নিয়ে এসেছে, যদিও বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
ইউনাইটেড আরব আমিরাত নির্দিষ্ট ফ্লাইট করিডোর নির্ধারণ করেছে এবং প্রয়োজনে দ্রুত বিমান ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ড্রোন হামলা মোকাবিলায় যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ সুরক্ষায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে বলেও সূত্র জানিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত ১,৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনীও রয়েছেন।
এর জবাবে ইরান ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে ইসরায়েলসহ জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় দেশগুলো—যেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। এসব হামলায় হতাহত ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজার ও বিমান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি