রোববার রাতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ইরানি “শহিদ কমান্ডারদের” স্মরণে এবং “জায়নবাদী ও মার্কিন আগ্রাসনের” প্রতিক্রিয়ায় এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলের বিভিন্ন সামরিক অবস্থান ও গোপন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।
একই সঙ্গে সৌদি আরবের আল-খারজ এলাকায় অবস্থিত প্রিন্স সুলতান এয়ার বেজ-এ হামলার কথাও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি। আইআরজিসির দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক কার্যক্রম পরিচালনার এই ঘাঁটিতে উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
.png)
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ইসরায়েলি ও মার্কিন বাহিনী তাদের গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় রয়েছে এবং বেসামরিক এলাকায় অবস্থান নিলেও তা কোনো সুরক্ষা নিশ্চিত করবে না।
আইআরজিসি জানায়, ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং “প্রতিরোধ অক্ষকে” সমর্থনের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। এরপর থেকে ইরানের পক্ষ থেকে নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর বিভিন্ন সূত্রে উঠে আসছে।
সূত্র: প্রেসটিভি