ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ সাক্ষাৎকার ]

‘ওখানে ক্লাবগুলোর মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা হয়’

আসমাউল মুত্তাকিন
প্রকাশিত: ২২:১০, ৯ জুন ২০২৩
‘ওখানে ক্লাবগুলোর মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা হয়’
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

জাপানি খেলোয়াড় সোমা ওতানি। গত দুই মৌসুম ধরে খেলছেন বাংলাদেশ ফুটবল প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের হয়ে। এর আগে তিনি খেলেছেন কম্বোডিয়ার ক্লাব ন্যাশনাল পুলিশ কুর্মাসিতে। ২০২১ সালে লাল-সবুজের দেশে আসেন। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগ ও মুক্তিযোদ্ধার হয়ে খেলাসহ নানা বিষয় নিয়ে ডেইলি বাংলাদেশের সঙ্গে একান্তভাবে কথা বলেছেন-

ডেইলি বাংলাদেশ: দুই মৌসুম মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের হয়ে খেলছেন। চলতি মৌসুমে রেলিগেশনের শঙ্কায় রয়েছে মুক্তিযোদ্ধা। বিষয়টি কীভাবে দেখছেন?

সোমা: আমার এ মৌসুমের প্রায় সব ম্যাচ শেষ। সর্বশেষ দুইটা ম্যাচ ভালো খেলার চেষ্টা ছিল। কিন্তু হয়নি। হেরে গিয়েছি। আমাদের এই মৌসুমে আরো তিনটি ম্যাচ বাকি। কঠোর পরিশ্রম করছি। বাকি ম্যাচগুলো কিছুটা ভাগ্যের ওপর নির্ভর করছে। খেলায় কিছু পরির্বতন হলে ভালোকিছু হবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তারপর দেখা যাক কী হয়..!

Advertisement

ডেইলি বাংলাদেশ: মুক্তিযোদ্ধা কি রেলিগেশন টপকাতে পারবে?

সোমা: মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে এই শক্তি রয়েছে। আমাদের অ্যাটাকিং নিয়ে কাজ করতে হবে। খেলায় কিছু পরির্বতন করতে হবে। সেরাটা দিতে পারলে আমরা রেলিগেশন টপকাতে পারবো। বাকি ম্যাচগুলো জিততে হবে। তবেই প্রিমিয়ারে টিকে যাবো। 

ডেইলি বাংলাদেশ: দুই মৌসুম থেকে এদেশে আছেন। বাংলাদেশের ঘরোয়া লিগ কেমন লাগে?

সোমা: এই লিগটা দারুণ মনে হয়। অনেক ম্যাচ ঢাকার বাইরে গিয়ে খেলতে হয়েছে। লম্বা বিরতি শেষে খেলা শুরুর পর আবার বন্ধ হয়েছে। এতে খেলায় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন। তাছাড়া এখানে মাঠের যত্ন নেয়া হয় না। অথচ ভালো ফুটবলের জন্য ভালো মাঠ লাগে। এ বিষয়ের প্রতি জোর দেওয়া উচিত। 

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফর্টিস এফসির বিপক্ষে মুক্তিযোদ্ধার হয়ে খেলছেন সোমা। ছবিছ ডেইলি বাংলাদেশ।

ডেইলি বাংলাদেশ: আপনি শুরু দিকে জাপানে খেলেছেন। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল এবং জাপানের ঘরোয়া ফুটবলের মধ্যে কি পার্থক্য দেখেন?

সোমা: জাপানের লিগটা অন্যরকম। সেখানে খেলোয়াড়দের জন্য একাডেমি রয়েছে। পাঁচ-ছয় বছর তারা সেখানে থাকে। তারপর একাডেমি থেকে ভালো খেলোয়াড় বের হয়। তারা লিগে খেলে। একাডেমির খেলোয়াড়রা কোচের অধীনে থাকে। তাছাড়া ওখানে ক্লাবগুলোর মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা হয়। সব মিলে বাংলাদেশের সঙ্গে বিশাল পার্থক্য আছে। বাংলাদেশে বলার মতো ভালো একাডেমি নেই। অর্থনৈতিক পার্থক্যও রয়েছে। জাপানের ক্লাবগুলো খুবই প্রফেশনাল।

ডেইলি বাংলাদেশ: আপনি বাংলাদেশে খেলছেন। পরিবার আপনার খেলা দেখে?

সোমা: জ্বি। আমার পরিবার খেলা দেখে। তবে বাংলাদেশের লিগ দেখার মতো জাপানে কোনো টিভি-চ্যানেল নেই। ইউটিউবে দেখে সবাই। বর্তমানে বাংলাদেশের একটি টিভি চ্যানেল খেলা দেখায় ইউটিউবে। আমার পরিবার সেখানে আমার খেলা দেখে। 

বাংলাদেশের লিগে খেলার আগেই ভিন্ন লিগে খেলেছেন সোমা।

ডেইলি বাংলাদেশ: মাঝে মাঝে খেলা থাকে না। তখন কীভাবে সময় কাটান?
সোমা: তখন হোটেলে শুয়ে-বসে সময় কাটে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলি। সিনেমা দেখি...এই আরকি! মাঝে-মধ্যে অনুশীলনে করি। জিম করি। টিমের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করি।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএসএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!