ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলা: অবশিষ্ট যুক্তি উপস্থাপন ৪ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:৪৩, ৩১ জানুয়ারি ২০২১
হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলা: অবশিষ্ট যুক্তি উপস্থাপন ৪ মার্চ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ- ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৪ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত। 

রোববার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাকসুদা পারভীনের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এদিন কারাগারে বন্দী আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। তাদের উপস্থিতিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন। এরপর আদালত অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামী ৪ মার্চ দিন ধার্য করেন। 

Advertisement

এর আগে ১৮ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল ইসলাম হেলাল আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একুশে গ্রন্থমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক আহত হন ড. হুমায়ুন আজাদ। ওই ঘটনায় পরদিন তার ছোট ভাই মঞ্জুর কবির বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। ওই হামলার পর হুমায়ুন আজাদ ২২ দিন সিএমএইচে এবং ৪৮ দিন ব্যাংককে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই বছরের ১২ আগস্ট তিনি মারা যান। পরে হুমায়ূন আজাদের ভাইয়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়। এছাড়া একই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনেও অপর একটি মামলা হয়।

২০০৯ সালের ৬ অক্টোবর এই মামলার বাদী মো. মঞ্জুর কবির মামলাটির বর্ধিত তদন্তের আবেদন করেন। একই বছরের ২০ অক্টোবর আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। বিভিন্ন সময় মামলাটি তদন্ত করেছেন রমনা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাহবুবুর রহমান, সিআইডির পুলিশ ইন্সপেক্টর কাজী আব্দুল মালেক, মোস্তাফিজুর রহমান ও লুৎফর রহমান।

২০১০ সালের ১৮ অক্টোবর আসামি আনোয়ার আলম ওরফে ভাগনে শহিদ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। 

২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল ওই মামলার তদন্ত শেষে সিআইডির পরিদর্শক লুৎফর রহমান পাঁচ আসামিকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর ওই পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

এর আগে ২০০৭ সালের ১১ নভেম্বর মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ওই অভিযোগপত্রে আবুল আব্বাস ভূঁইয়া ও গোলাম মোস্তফা নামের দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের অব্যহতি দেয়া হয়।  

আসামিরা হলো- জেএমবির সুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শাউন, আনোয়ার আলম, হাফিজ মাহমুদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!