মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে হাজির করা হয়। বর্তমানে তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে।
আদালত প্রাঙ্গণে নানা শামসুল হক ছাড়া পরীমনির আর কোনো আত্মীয়কে দেখা যায়নি। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের একপাশে দাঁড়িয়ে কান্না ভেজা চোখে শামসুল হককে দেখা যায়। অগোচরে কাঁদছেনও তিনি। পরীমনির নানা জানান, আদরের নাতনিকে এক বারের জন্য দেখতে চান তিনি।
.png)
১৯৯২ সালের অক্টোবরে নড়াইলে জন্ম নেয়া স্মৃতি খুব ছোটবেলায় মাকে হারান, একটু বড় হয়ে বাবাকে হারিয়ে বড় হন পিরোজপুরে তার নানা শামসুল হক গাজীর কাছে। সেখান থেকেই মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শেষে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে বাংলা বিভাগে বিএ পড়াকালীন ২০১১ সালে ঢাকায় চলে আসেন পরীমনি। এরপর ছোট পর্দায় আবির্ভাব হয় তার, সঙ্গে চলে টিভি নাটকে অভিনয়। এরপর ঢাকাই সিনেমায় নাম লেখান এই অভিনেত্রী।
গত ৪ আগস্ট প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযান শেষে বনানীর বাসা থেকে পরীমনিকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ সময় তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। আটকের পর তাকে র্যাব সদরদফতরে নেয়া হয়। বুধবার রাতে সেখানেই থাকতে হয় পরীমনিকে। বৃহস্পতিবার র্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমণির বিরুদ্ধে মামলা করে। মামলা দায়েরের পর সেদিনই তাকে আদালতে নেয়া হয়।