ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

টাকা ফেরতের বিষয়ে আদালতে নেয়ার সময় যা বললেন ইভ্যালির রাসেল 

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৫৩, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১
টাকা ফেরতের বিষয়ে আদালতে নেয়ার সময় যা বললেন ইভ্যালির রাসেল 
আদালতে নেয়া হচ্ছে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সিইও) মো. রাসেলকে। ছবি: সংগৃহীত

গ্রাহকের হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রেফতার ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সিইও) মো. রাসেল গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে চান কিনা, আদালতে নেয়ার সময় সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে সম্মতি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রিমান্ড শেষে আদালতে নেয়ার সময় হ্যাঁ সূচক মাথা নেড়ে এমন জবাব দেন রাসেল। এরপর আদালতে তোলা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম মো. হাসিবুল হকের আদালত এ আদেশ দেন।  

এদিন ধানমন্ডি থানার এক মামলার রিমান্ড শেষে রাসেলকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। এরপর ধানমন্ডি থানার আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ। এসময় আসামি পক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে এক দিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

Advertisement

এর আগে ইভ্যালির গ্রাহক আব্দুর রহমান রাকিব বাদী হয়ে ধানমন্ডি মামলা দায়ের করেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রতারণার অভিযোগে গুলশান থানায় এক গ্রাহকের করা মামলার রিমান্ড শেষে রাসেল ও তার স্ত্রীকে আদালতে নিয়ে আসা হয়। এসময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মো. ওহিদুল ইসলাম। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরীর আদালত তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে ধানমন্ডি থানার মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের সাত দিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার এসআই নাজমুল হুদা। এসময় আসামিপক্ষে তাদের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ দেন। 

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ধানমন্ডি থানায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কামরুল ইসলাম চকদার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এ মামলায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় রাসেল ও শামীমা বাদে অন্য আসামিরা হলেন- ইভ্যালির ভাইস প্রেসিডেন্ট আকাশ, ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম হেময়, সিনিয়র অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার তানভীর আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কমার্শিয়াল জাওয়াদুল হক চৌধুরী, হেড অব অ্যাকাউন্টস সেলিম রেজা, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জুবায়ের আল মাহমুদ, অ্যাকাউন্টস শাখার কর্মকর্তা সোহেল, আকিবুর রহমান তূর্য, সিইও রাসেলের পিএস মো. রেজওয়ান, বাইক ডিপার্টমেন্টের সাকিব রহমান।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে আরিফ বাকের নামের এক ব্যক্তি গুলশান থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলার করেন। গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাদেরকে র‌্যাব সদর দফতরে নেয়া হয়। পরে গুলশান থানা পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে র‍্যাব। গত ১৭ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমার তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!