ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

প্রশ্নফাঁসে জড়িত সেই দুদক কর্মকর্তার জামিন মেলেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:১৪, ১৫ নভেম্বর ২০২১
প্রশ্নফাঁসে জড়িত সেই দুদক কর্মকর্তার জামিন মেলেনি
ফাইল ফটো

চাকরি ও ভর্তি পরীার প্রশ্নপত্র ফাঁসের হোতাদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক সহকারী পরিদর্শক মুহাম্মদ মফিজুর রহমানকে অর্থপাচারের অভিযোগে মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় জামিন দেননি হাইকোর্ট।

তবে তাকে আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ গতকাল সামবার এ আদেশ দেন। এদিন আদালতে পিটিশনের পে ছিলেন আইনজীবী ব্যারিস্টার এসএম মাসুদ হোসেম দোলন। রাষ্ট্রপে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।

Advertisement

দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২১ অক্টোবর ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে ডিবি পুলিশ মফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে। ঐ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যাগ থেকে ভর্তি পরীার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ব্যবহৃত আটটি মোবাইলসদৃশ ঘড়ি ও একটি চার্জার উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারের পরদিন পুলিশ তার বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি মামলা করে।

২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর দুদক (কর্মচারী) চাকরি বিধিমতে ‘অসদাচরণ’ ও ‘প্রতারণা’র অভিযোগে মফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় মামলা করে কমিশন। ২০১৩ সালের ২০ জানুয়ারি মফিজুর রহমান কমিশনে তার জবাব দাখিল করেন। কিন্তু জবাব গ্রহণযোগ্য না হওয়ায় বিভাগীয় মামলাটি তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কমিশনের একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ করা হয়। তদন্তে মফিজুরের বিরুদ্ধে আনা ‘অসদাচরণ’ ও ‘প্রতারণা’র অভিযোগ প্রমাণিত হয় বলে তদন্ত কর্মকর্তা তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন। মফিজুর রহমানের লিখিত জবাব এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি শেষে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!