বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এদিন রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তারা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।
.png)
এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই (নিরস্ত্র) হাসান পারভেজ তাদের ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালত আসামি রাজু মিয়ার এবং আরেক মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালত আসামি ইমরান হোসেনের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ১৩ নভেম্বর রাতে টঙ্গী থেকে রাইদা পরিবহনের ওই বাসের চালক রাজু মিয়াকে (২৫) এবং আব্দুল্লাহপুর থেকে হেলপার ইমরান হোসেনকে (৩৩) গ্রেফতার করে র্যাব। পরদিন গত ১৪ নভেম্বর দুই আসামি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর ভাটারা থানার সড়ক পরিবহন আইনের মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই (নিরস্ত্র) হাসান পারভেজ তাদের সাতদিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের দুদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।
জানা যায়, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মরিয়ম আক্তার ফুল বিক্রি করতো এবং হাতে আবেদন সংবলিত কাগজ নিয়ে পথচারী ও বাসযাত্রীদের কাছে আর্থিক সাহায্য চাইতো। খিলক্ষেত থানার কুড়াতলী এলাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো মরিয়ম। গত ৯ নভেম্বর ভোরে বাসা থেকে বের হয় মরিয়ম। এরপর প্রগতি সরণিতে ফুটপাতে ময়লার স্তূপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য পেয়ে সড়ক পরিবহন আইনে একটি মামলা করেন তার বাবা প্রাইভেটকার চালক রনি মিয়া।
মামলার সূত্রে জানা যায়, প্রগতি সরণিতে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে ওঠে মরিয়ম। হেলপার তাকে বাস থেকে নেমে যেতে বলেন। চালক বাসের গতি না কমিয়ে মরিয়মকে নামিয়ে দেন। এ সময় ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পায় শিশু মরিয়ম।