তবে সে সময় আসামিদের কেউই কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি। প্রতিবাদ বা কোনো কথাও বলেননি।
এর আগে, সকাল ৯টা ২০ মিনিটে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ২২ জন আসামিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। পরে সকাল ১১ টা ৪০ মিনিটে তাদের এজলাসে তোলা হয়।
.png)
রায় ঘোষণার পর দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ তাদের এজলাস থেকে নামিয়ে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। এ সময় তারা পরিবারের সঙ্গেও কোনো কথা বলেননি।
আবরার হত্যা মামলার রায়ে ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ২৫ আসামির মধ্যে ৩ আসামি পলাতক রয়েছেন। এরা হলেন- মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত ও শেষের জন এজাহার বহির্ভূত আসামি।
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।