ঢাকার বিশেষ জজ আদালত -১০ এর বিচারক নজরুল ইসলামের আদালতে এ আবেদন করা হয়।
পরীমনির আইনজীবী বিষয়টি ডেইলি বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, বনানী থানায় মাদক আইনের মামলায় ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানির জন আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু পরীমনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতে সময়ের আবেদন করেছি।
এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন- আশরাফুল ইসলাম দিপু ও কবির হোসেন।
এর আগে ১৫ নভেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত মামলাটির অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এ বদলির আদেশ দেন। একই সঙ্গে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৪ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।
তারও আগে, ৪ অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কাজী মোস্তফা কামাল আদালতে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় গত ১২ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে মামলাটি পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চিত্রনায়িকা পরীমনির বাসা থেকে উদ্ধার মাদকদ্রব্যের বৈধ কোনো কাগজ ছিল না। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে সিআইডিকে জানানো হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে পরীমনির নামে মদজাতীয় পানীয় সেবনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। গত বছরের ৩০ জুন ওই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়। পরীমনি বিভিন্ন স্থান থেকে এ মামলার দুই আসামি আশরাফুল ইসলাম ও কবির হোসেনের মাধ্যমে অবৈধ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বাসায় রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য রাখার বিষয়ে তিনি কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি। পরীমনি তার গাড়িটি মাদকদ্রব্য বহনের কাজে ব্যবহার করতেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। অভিযানে নতুন মাদক এলএসডি, মদ ও আইস উদ্ধার করা হয়। তার ড্রয়িংরুমের কাভার্ড, শোকেস, ডাইনিংরুম, বেডরুমের সাইড টেবিল ও টয়লেট থেকে বিপুল পরিমাণ মদের বোতল উদ্ধার করা হয়। তার পরদিন গত ৫ আগস্ট র্যাব বাদী হয়ে রাজধানীর বনানী থানায় পরীমনি ও তার সহযোগী বিপুর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় করেন। এ মামলায় পরীমনিকে তিন দফায় মোট সাতদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। এরপর গত ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত তাকে জামিন দেন।