ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলামের আদালত এ পরোয়ানা জারি করেন। বৃহস্পতিবার বিষয়টি ডেইলি বাংলাদেশকে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মনির।
তিনি বলেন, আমরা আসামি নজরুল ইসলাম ও তার পিএস জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছিলাম। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
.png)
২০২১ সালের ৭ জুন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে এ মামলা করেন মো. আলী হোসেন। এরপর আদালতে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার মো. হারুন অর রশীদ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আসামি নজরুল ইসলাম টাইলস, মারবেল, গ্রানাইট, সুইমিং পুলের ওয়াটার বডি, বোতাম, টাইলস, ফিটিংসসহ অন্যান্য কাজ করার জন্য আলী হোসেনের প্রতিষ্ঠানের প্যাডে এসব জিনিসপত্রের বিবরণ ও মূল্য উল্লেখসহ কোটেশন তৈরি করে ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর তার প্রতিষ্ঠানে দাখিল করেন। এরপর আসামি নজরুল ইসলাম বাদীর কোটেশন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে কার্যাদেশ দেয়। এরপর একই বছরের ২৮ নভেম্বর থেকে ২০২১ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আসামি নজরুল ইসলাম তার নিয়ন্ত্রাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজ করে তিন কোটি চার লাখ ২৪ হাজার ৭৮৫ টাকা বিল করেন।
এর মধ্যে বিভিন্ন তারিখে আসামি নজরুল ইসলাম এক কোটি ষাট লাখ টাকা পরিশোধ করেন। অবশিষ্ট এক কোটি ৫৪ লাখ ২৪ হাজার ৭৮৫ টাকা না দিয়ে ভুক্তভোগী আলী হোসেনকে হয়রানি করতে থাকেন। ফলে আলী হোসেনের ক্ষুদ্র ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানটি চরম আর্থিক অনটনে পড়ে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছায়। এরপর ২০২১ সালের ৩০ মে এ পাওনা টাকা দাবি করলে আসামি নজরুল ইসলাম ভুক্তভোগী আলী হোসেনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং নজরুল ইসলামের নির্দেশে তার সহযোগী জাকিরসহ অজ্ঞাত ২/৩ জন তাকে শারীরিকভাবে মারধর করেন। আর জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করে নেন।