শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোশাররফ হোসেনের আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এদিন রিমান্ড শেষে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় আসামিরা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক রিপন কুমার।
.png)
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে, গত ১ এপ্রিল রাতে কাভার্ডভ্যানের চালক সাইফুল ও তার সহকারী মশিউরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করে খিলক্ষেত থানা পুলিশ। এ সময় কাভার্ড ভ্যানটিও জব্দ করা হয়। এরপর গত ৩ এপ্রিল দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে প্রত্যেকের সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাদের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ১ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে কুড়িল বিশ্বরোডে সড়কে মিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে এক পথচারী। দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে মিমকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এই ঘটনার পরের দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় ২০১৮ সালের সড়ক পরিবহন আইনে মামলাটি করেন মীমের বাবা নূর মোহাম্মদ মামুন।