ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

১১ বছর আগে রাজধানীতে কামরুল হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:৫০, ৩০ আগস্ট ২০২২
১১ বছর আগে রাজধানীতে কামরুল হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন
ছবি প্রতীকী

১১ বছর আগে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে রিকশা থেকে কামরুল হাসান নামের এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের মামলায় মো. মাজেদুল হক মানিককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বিষয়টি জানিয়েছেন। 

রায়ে হত্যার পর লাশ গুম করার চেষ্টার অভিযাগে আরেক ধারায় মাজেদুল ও তার সহযোগী মো. নাসিরকে তিন বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সাবিনা আক্তার নামের এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলায় মকবুল হোসেন নামের অরেকজন আসামি বিচার চলাকালে মারা যান।

Advertisement

রায় ঘোষণার সময় যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত মানিক আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। অপর আসামি পলাতক।

২০১১ সালের ২৩ জানুয়ারি গাবতলী বাস টার্মিনালের সামনে রিকশার ওপর চটের বস্তার ভেতর সন্দেহজনক কিছু আছে, জানতে পেরে পুলিশ সেখানে যায়। সেখানে রিকশাচালক সুমন (২৬) জানান, অজ্ঞাত এক ব্যক্তি বস্তায় চাল ও বিভিন্ন জিনিসপত্র আছে জানিয়ে রিকশায় তা তুলে দিয়ে সামনে যেতে বলেন। তিনি পেছনে আসছেন বলে জানান। কিছু সময় পর পেছনের ঐ লোককে না পেয়ে আশপাশের লোকদের বিষয়টি জানান রিকশাচালক। পুলিশ উপস্থিত লোকজনের সামনে বস্তা খুলে লাশ দেখতে পায়। লাশের সঙ্গে থাকা মানিব্যাগে ঠিকানা পেয়ে পুলিশ যোগাযোগ করে ভিকটিমকে শনাক্ত করে। মামলায় আসামি সজিবের দেওয়া জবানবন্দিতে জানা যায়, ভিকটিম কামরুল হাসানকে ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি রাজধানীর শেওড়াপাড়ার বাসায় হত্যা করেন মানিক।

এ ঘটনায় দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০১১ সালের ২৬ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তা দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক মোকাম্মেল হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়। বিচার চলাকালীন মামলাটিতে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!