বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. মামুনুর রশিদের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামিপক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এরপর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসঙ্গে জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন ধার্য করেন।
.png)
গতকাল বুধবার আটক আইনজীবীকে কোতয়ালী থানা পুলিশের নিকট সোপার্দ করা হয়। এরপর রাজধানীর কোতয়ালী থানায় সেই আইনজীবীর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী আসামি মো. আবিরুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে মামলা করেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মো. আবিরুল ইসলাম চৌধুরী নামের এক আসামির বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে তার স্ত্রী যৌতুকের মামলা করেন। সে মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৮ আগস্ট আইনজীবী পরিচয় দিয়ে জুয়েল মুন্সি তাকে ফোন দেন।
ফোনে জানানো হয়, তাকেসহ পরিবারের আরো তিনজনের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলায় আাসামি করা হয়েছে। মামলা থেকে তিন আসামিকে বাদ দেওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা দিতে হবে। এরপর আসামি বানানীর এক হোটেলে বসে নগদ এক লাখ ৫০ হাজার টাকা আইনজীবীকে প্রদান করেন। পরবর্তীতে ৩০ আগস্ট মামলার দরখাস্তের খরচ বাবদ ভুক্তভোগী আসামির কাছ থেকে আরো ১৫ হাজার টাকা নেয়। ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলামের আদালত থেকে জামিন করাবে এবং সিএমএমকে ম্যানেজ করে ঢাকা মহানগর হাকিম শফি উদ্দিনের আদালত থেকে এ মামলায় স্থায়ী জামিন ও খালাস করানোর নামে গত ৭ সেপ্টেম্বর আরো ৩ লাখ টাকা নেন আইনজীবী। এভাবে ভুক্তভোগী আসামির কাছ থেকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।