ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার বিচার শুরু
অর্থ আত্মসাতের মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কাজ শুরু হলো।
বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।
উল্লেখ্য, ৩ লাখ ১০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় মামলাটি করেছিলেন একজন গ্রাহক। মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
.png)
এদিকে মামলার অপর আসামি ইভ্যালির আরেক কর্মকর্তা মইনুল হককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আদেশে বলা হয়, মইনুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের কোনো উপাদান নেই।
আসামিপক্ষের আইনজীবী আহসান হাবিব গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এদিন কারাগারে আটক আসামি রাসেলকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে জামিনে থাকা আসামি শামীমা নাসরিন উপস্থিত না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন। আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে আসামি রাসেলের উপস্থিতিতে আদালত অভিযোগ গঠন করেন।
চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলায় শামীমা, রাসেলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম।
অভিযোগপত্রে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন প্রচার করে গ্রাহকদের পণ্য কিনতে আকৃষ্ট করে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা।
বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে পণ্য কিনতে ঐ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা দেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক। ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও তা না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করেন প্রতিষ্ঠানের দুই কর্ণধার। টাকা চাইলে ভয়ভীতি দেখানো এবং টাকা দিতে অস্বীকার করেন রাসেল ও তার স্ত্রী।
এ অভিযোগে গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে গ্রাহক আরিফ বাকের গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।