মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ আমিনুর বাশার প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। তাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্ত ইসলাম মল্লিক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৬ মার্চ পরবর্তী দিন ধার্য করেন। আদালতে সবুজবাগ থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক সেলিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন— এসির মিস্ত্রি বাপ্পী, তার দুই সহযোগী রুবেল ফকির ও সুমন হোসেন। তারা নিজেদের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
.png)
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ২৬ মার্চ রাতে নিহত নারী তানিয়ার বাসায় এসি মেরামত করতে যান টেকনিশিয়ান বাপ্পী। তখন সুযোগমতো মালামাল লুট করতে গেলে তানিয়া বাঁধা দেন। এ সময় তানিয়াকে খুন করে বাসা থেকে ৩-৪ ভরি স্বর্ণালংকার, একটি মোবাইল ফোন ও নগদ প্রায় ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যায় খুনি। বাকি দুইজন হত্যার সময় বাপ্পীর সাথে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।
এছাড়া ঐ নারীর মরদেহের পাশে মুখে স্কচটেপ পেঁচানো অবস্থায় পড়েছিল তার দুই শিশুসন্তান। তাদের মধ্যে মেয়ের বয়স তিন বছর ও ছেলের বয়স ১০ মাস। এ ঘটনার পরদিন তার স্বামী ময়নুল ইসলাম সবুজবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।