ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে জমি রেকর্ড: দুইজনের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:১৪, ২৮ মার্চ ২০২৩
আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে জমি রেকর্ড: দুইজনের কারাদণ্ড
ফাইল ফটো

ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দেওয়ার অভিযোগে দুইজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন- ঢাকার প্রাক্তন সেটেলমেন্ট অফিসার মো. আশরাফ আলী হাওলাদার ও ঢাকা সেটেলমেন্ট অফিসের প্রাক্তন সার্ভেয়ার মো. মনিরুল ইসলাম।

এর মধ্যে এক নম্বর আসামি আশরাফ আলী হাওলাদারকে পাঁচ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অপর আসামি মনিরুল ইসলামকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ কারাদণ্ড দেন। 

Advertisement

এদিন আদালতে উপস্থিত আসামি মো. মনিরুল ইসলামকে সাজা পরোয়ানাসহ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর মামলার এক নম্বর আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করতে রায়ে আদেশ দেওয়া হয়েছে। রায়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সাজাপ্রাপ্ত আসামিদ্বয় কর্তৃক অত্র মামলায় ভোগকৃত হাজতবাস উল্লিখিত দণ্ড হতে বাদ যাবে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে ঢাকার কাঠাল বাগানের বাসিন্দা স্বর্ণা খানের জমি নুরুন্নবী ফিরোজ নামে একজনের নামে রেকর্ড করে দেন অভিযুক্ত আসামিদ্বয়। এতে স্বর্ণা খানের জায়গা দখল করে নেন নুরুন্নবী ফিরোজ। পরবর্তীতে আপিল করে জমির মালিকানা ফিরে পান ভুক্তভোগী স্বর্ণা খান।

২০১১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন খান। এরপর ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। মামলা চলাকালে মোট সাতজন সাক্ষীর ভেতর ছয়জন সাক্ষ্য দেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!