বৃহস্পতিবার আসামিপক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) খারিজ করে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
আদালতে ইয়াছিন রহমান টিটুর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুজিত চ্যাটার্জি বাপ্পী ও সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
.png)
নিহত জিবরানের বাবা ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মহাপরিচালক। চাকরির সুবাদে জিবরান তার স্ত্রী তিতলী নন্দিনীকে নিয়ে চট্টগ্রামে বসবাস করতেন।
১৯৯৯ সালের ৯ জুন চট্টগ্রামের দেওয়ানহাট এলাকায় একটি চায়নিজ রেস্তোরাঁর সামনে খুন হন একটি বেসরকারি শিপিং কম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিবরান। ঘটনার পরদিন ডাবলমুরিং থানায় জিবরানের সহকর্মী জেমস রায় একটি মামলা দায়ের করেন।
১৯৯৯ সালের ২২ নভেম্বর এ মামলার তদন্ত কর্মকতা আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। এই আটজন হলেন- ইয়াছিন আলী টিটু, মো. ওসমান আলী, আলী আকবর ওরফে দিদারুল আলম, জিল্লুর রহমান, জাহিদ হোসেন ওরফে কিরণ, মো. সিদ্দিক, ওমর আলী ও আলমগীর।
চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত ২০০২ সালের ১২ এপ্রিল এ মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে টিটু, ওমর আলী ও আলমগীরকে খালাস দেন।