শিশুটি ফাঁসির সেলে কেমন অবস্থায় আছে, শিশুকে কি সুবিধা দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ১৮ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করতে বলা হয়েছে। আইজি প্রিজন্স ও হবিগঞ্জের সিনিয়র জেল সুপারকে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।
রোববার এ সংক্রান্ত এক রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তানভীর আহমেদ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
.png)
তিনি জানান, হবিগঞ্জে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে করা মামলায় মায়ের মৃত্যুদণ্ডের রায় হওয়ায় ফাঁসির সেলে মায়ের সঙ্গে বন্দি আছে ১০ মাসের শিশু মাহিদা। ফাঁসির সেলে মায়ের সঙ্গে ১০ মাসের শিশু বন্দি থাকার ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে শিশুটি ফাঁসির সেলে কেমন অবস্থায় আছে, তাকে কোন ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে, এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন ১৮ জানুয়ারির মধ্যে দাখিল করতে বলেছেন আদালত।
পাশাপাশি শিশু মায়িদার জন্য সব ধরনের সুব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা এবং খামখেয়ালিকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির বাচ্চাদের ফাঁসির সেলে রাখার ক্ষেত্রে সুব্যবস্থা গ্রহণের নীতিমালা করতে কেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
গত ৩০ নভেম্বর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘ফাঁসির সেলে কেমন আছে ১০ মাসের মাহিদা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট করা হয়। আজ রিটের শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।