বৃহস্পতিবার তিশা ও মুশতাকের পক্ষে তাদের আইনজীবী এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন তাদের আইনজীবী খন্দকার হাসান শাহরিয়ার।
লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়েছে, তিশা ও খন্দকার মুশতাক আহমেদ দম্পতির স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত করার পাশাপাশি তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করে মানহানি করা হচ্ছে, যা প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। একই সঙ্গে কোনো প্রকার লিখিত অনুমতি ছাড়া খন্দকার মুশতাক আহমেদের ছেলে ও মেয়ে, প্রাক্তন স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের ছবি, ভিডিও নিয়ে অসত্য, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট তথ্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে পরিবেশন, প্রকাশ, সম্প্রচার তথা প্রচারণা করে প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করা হচ্ছে। যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
.png)
এতে আরো বলা হয়, মো. সাইফুল ইসলাম তার নিকটাত্মীয় আবুলের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা ও ফ্ল্যাট দাবি করলেও খন্দকার মুশতাক আহমেদ সেই বিষয়ে কর্ণপাত না করায় আদালতে বিচারাধীন বিষয়ে অসত্য, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর, মনগড়া তথ্যাদি প্রতিনিয়ত সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে পরিবেশন করে বিচার বিভাগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাশাপাশি জনসাধারণের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।
নোটিশে তিশা-মুশতাকের আইনজীবী আরো উল্লেখ করেন, লিগ্যাল নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে সিনথিয়া ইসলাম তিশা ও খন্দকার মুশতাক আহমেদ দম্পতি এবং খন্দকার মুশতাকের ছেলে ও মেয়ে, প্রাক্তন স্ত্রী তথা পরিবারের সদস্যদের ছবি, ভিডিও নিয়ে যে অসত্য, মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট তথ্যাদি সামাজিক মাধ্যম এবং ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে পরিবেশন, প্রকাশ, সম্প্রচার তথা প্রচারণা করেছেন, সেজন্য নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে তা প্রত্যাহার করতে অনুরোধ করা হলো।