চুল পড়ার সমস্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় উপকারী নানা ভেষজ তেল । শুধু তাই নয়, খুশকি প্রতিরোধের পাশাপাশি চুলের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এগুলো খুবই কার্যকর। নেই কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও। জেনে নিন চুলের যত্নে ভেষজ তেলের কিছু ব্যবহার।
তেল মাসাজের উপকারিতা
.png)
হালকা গরম তেল মালিশ করলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। চুলের গোড়া মজবুত হয়। তবে তেল মাসাজ মানে চুলে তেল ঘষাঘষি নয়। বরং চুলের গোড়ায় আঙুলের ডগা দিয়ে তেল লাগিয়ে একেবারে হালকা মাসাজ। বিশেষত চুল বেশি ঝরলে একেবারেই চাপ দিয়ে বা দীর্ঘক্ষণ মাসাজ করা যাবে না।
আমলকী তেল
আমলকিতে রয়েছে কোলাজেন। রয়েছে ভিটামিন ই। যা চুলে পুষ্টি জোগায়। মাথার ত্বকের আর্দ্রতাও বজায় রাখতে সাহায্য করে। খুশকির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে তাই আমলকিতে ভরসা রাখাই যায়।
যেভাবে বানাবেন: আমলকী ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে হালকা আঁচে গরম করে নিন। নিয়মিত এই তেল মাথায় মাখলে চুল পুষ্টি পাবে। চুল ঝরার সমস্যা কমবে।
ভৃঙ্গরাজ তেল
চুল পড়া কমাতে, গোড়া মজবুত করে নতুন চুল গজাতে, খুশকি সারাতে ভৃঙ্গরাজ তেল কার্যকর হতে পারে। এই ভেষজ তেলের বহু উপকার। চুলে পুষ্টি জোগাতেও সাহায্য করে তেলটি।
যেভাবে বানাবেন: ভৃঙ্গরাজ পাতার রস বার করে নারকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে নিতে হবে। তবে কম আঁচে তেল গরম করতে হবে। না হলে গুণ চলে যাবে। তেলের মিশ্রণটি পরিষ্কার কাচের বোতলে সংরক্ষণ করে মাখলে চুল পড়ার সমস্যা দূর হবে।
আমন্ড অয়েল
ভিটামিন বি, কে ও ই সমৃদ্ধ হালকা এই তেলের চুলের জন্য খুব উপকারী। এতে থাকা ভিটামিন বি৭ চুলে পুষ্টি জোগায় ও চুল ঝরা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে এই তেল। এই তেল তৈরি করা বেশ ঝামেলার। যে কোনও ভালো ব্র্যান্ডের আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
(প্রতিবেদনটি সচেতনতার জন্য লেখা। এই তেলগুলো ব্যবহারে চুল ঝরা বন্ধ না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।)