ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ লাইফস্টাইল ]

ইফতার টেবিলে প্রাণ জুড়ায় নওগাঁর পাতলা দই

শহিদুল ইসলাম, নওগাঁ
প্রকাশিত: ১০:১৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইফতার টেবিলে প্রাণ জুড়ায় নওগাঁর পাতলা দই
ফাইল ছবি

রমজান এলেই নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী পাতলা দইয়ের কদর বেড়ে যায় কয়েকগুণ। সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় ইফতার ও সেহরির টেবিলে এ দই এখন ক্রেতাদের অন্যতম পছন্দ। রোজা শেষে এক গ্লাস ঠান্ডা পাতলা দই যেন নিমিষেই এনে দেয় প্রশান্তি এমনটাই বলছেন ভোক্তারা।

গরমের শুরু আর রমজান ঘিরে তাই বাজারে বেড়েছে এর চাহিদা। দুগ্ধজাত এ পানীয় বছরের প্রায় বারো মাসই জেলার বিভিন্ন দই ও মিষ্টির দোকানে পাওয়া গেলেও রমজান ঘিরে এর বিক্রি বেড়ে যায় চোখে পড়ার মতো। বর্তমানে বাহারি ইফতার সামগ্রীর ভিড়েও নওগাঁর পাতলা দই নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সরেজমিনে নওগাঁ সদর উপজেলার বাইপাস মোড়ে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতাদের ভিড়ে হিমশিম খাচ্ছেন বিক্রেতারা। মাটির পাতিলে দুই আকারে বিক্রি হচ্ছে পাতলা দই। বড় আকারের একটি পাতিল বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়, আর ছোট আকারের পাতিল পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকায়।

Advertisement

দই কিনতে আসা ইকরতাড়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো পাতলা দই। রমজান মাসে ইফতার ও সেহরিতে এটি আলাদা প্রশান্তি এনে দেয়। সারাদিন রোজা রেখে এক গ্লাস পাতলা দই খেলে খুব ভালো লাগে।

আরেক ক্রেতা মজিবর মণ্ডল বলেন, রোজার পর ইফতারে পাতলা দই খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। অনেক সময় শরবতের বিকল্প হিসেবেও এটি খাই। কয়েকদিন পরপরই আমাদের একটি করে দই লাগে।

দই বিক্রেতা সাইদুল বলেন, প্রতিবছরই তিনি এখানে পাতলা দই বিক্রি করেন। ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দই কিনতে আসেন। বিশেষ করে শহর থেকে গ্রামে ফেরার পথে অনেকেই একটি করে দই নিয়ে যান। গরম ও রমজান শুরু হলেই বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

নওগাঁর সিভিল সার্জন ডা. মো. আমিনুল ইসলাম জানান, দইয়ে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ও উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা শরীরের নানা উপকারে আসে। এটি উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে, হজমশক্তি বাড়ায় এবং পাকস্থলীর সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ত্বক ভালো রাখতেও দই কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/SA
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!