তবে এই খেজুর দিয়েই বিশেষ কায়দায় তৈরি এক প্রাচীন পানীয় নাবীযের গুণের কথা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনায় থাকছে। নাবীয একটি পুষ্টিগুণে ভরপুর ও ক্ষারধর্মী পানীয়, যা সুন্নতি পানীয় হিসেবে বিশ্বের মুসলিমদের কাছে খুবই সমাদৃত।
খেজুর পানিতে ভিজিয়ে এটি তৈরি করা হয়। এটি হজমে সহায়তা করে, পেটের অ্যাসিডিটি কমায় এবং প্রাকৃতিকভাবে শরীরে শক্তি জোগায়। পাশাপাশি এটি শরীরকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, স্মৃতিশক্তি উন্নত করে এবং লিভার, প্লীহা ও হাড়ের জোড়ের স্বাস্থ্যে উপকার
.png)
নাবীযের প্রধান উপকারিতা
হজমের উন্নতি
উচ্চ ফাইবার ও ক্ষারধর্মী হওয়ায় এটি পাকস্থলীর অ্যাসিডের ভারসাম্য রক্ষা করে, অ্যাসিডিটি কমায় এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।
ডিটক্স ও কিডনি সুরক্ষা
এটি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সহায়তা করে। এর মূত্রবর্ধক ও প্রদাহনাশক গুণ কিডনির সমস্যাও কমাতে সাহায্য করে।
এটি দ্রুত শক্তি জোগায়, শরীর ডিটক্স করে
শক্তি বাড়ায়
প্রাকৃতিক চিনি (গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ) এবং পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের মতো খনিজে সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি দ্রুত শক্তি জোগায়।
হাড়ের জোড়ের উপকার
আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী এবং ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। গিটেবাত নিয়ন্ত্রণে নাবীয খুবই সহায়ক।
অন্যান্য উপকার
এটি শরীরকে শক্তিশালী করে, লিভার, প্লীহার প্রদাহ কমায়, গলা ও বুকের শ্লেষ্মা নিষ্কাশন করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।
নাবীয তৈরির পদ্ধতি
রাতে ১০০ গ্রাম খেজুর ১ লিটার পরিষ্কার পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
পাত্রটি একটি ঢাকনা বা প্লেট দিয়ে ঢেকে দিন।
১২–২৪ ঘণ্টা রেখে দিন
সারারাত খেজুর ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে এই পানিটা পান করুন
সকালে খালি পেটে এই পানিটা পান করুন এবং ভেজানো খেজুর খেয়ে নিন।
সতর্কতা
১২–২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি খাওয়া উচিত, কারণ এরপর এটি ফারমেন্ট হতে শুরু করতে পারে।
সূত্র: বায়োমেডিকেল অ্যান্ড ফার্মেসি জার্নাল